আল বিরুনি বিশ্বখ্যাত মুসলিম শিক্ষাবিদ ও গবেষক

541

ইসলামের ইতিহাস পড়তে গেলে অতীতের মুসলিমদের বৈজ্ঞানিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, সৃষ্টিশীল কাজ ও অর্জনগুলো আমাদের বরাবরই বিস্মিত করে। ইসলামের স্বর্ণযুগে, গণিত থেকে শুরু করে চিকিৎসাবিজ্ঞান, দর্শন, শিল্পকলা, পদার্থবিজ্ঞান ইত্যাদি সকল বিষয়েই মুসলিমদের নতুন নতুন আবিষ্কার, ইত্যাদি সবকিছুতেই মুসলিমরা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। বিখ্যাত মুসলিম বিজ্ঞানীদের কথা চিন্তা করতে গেলে ইবনে সিনা, ইবন আল-হাইথাম, ইবন খালদুন, আল-ফারাবী ইত্যাদি নামগুলো নিজের অজান্তেই কল্পনায় চলে আসে।

সর্বকালের সেরা স্কলারদের এই তালিকার আরেকটি নাম হচ্ছে পারস্যের মুসলিম স্কলার আবু রায়হান আল-বিরুনী। তাঁর জন্ম ৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে, মৃত্যু ১০৪৮ খ্রিস্টাব্দে, এবং তিনি জীবনের বেশীরভাগ সময়ই কাটিয়েছেন মধ্য এশিয়া ও হিন্দুস্তানে। তাঁর সুপ্রসিদ্ধ কর্মজীবনের বর্ণময় যাত্রায় তিনি ইতিহাস, পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, ভাষাতত্ত্ব, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব, ভূবিদ্যাসহ অনেক বিষয়ে পাণ্ডিত্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তাঁর সময়ে গোটা মুসলিম বিশ্বজুড়ে বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও তিনি সকল ঝামেলার উর্ধ্বে থেকে তাঁর কাজ চালিয়ে যান এবং ইতিহাসের সর্বকালের সেরা একজন স্কলার হিসেবে গড়ে উঠেন।

আল-বিরুনীর জন্ম ৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে উত্তর-পূর্ব পারস্যের খোরাসান প্রদেশে। তিনি আরবী ও ফারসি ভাষা, ইসলামের প্রাথমিক বিষয়সমূহ, এবং বিজ্ঞানের উপর জ্ঞানলাভ করেন। শুরু থেকেই তিনি গণিত এবং জ্যোতির্বিদ্যায় বিশেষ আগ্রহ দেখান এবং পরবর্তীতে তৎকালীন শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিদদের অধীনে পড়ালেখা করে জ্যোতির্বিদ্যায় পাণ্ডিত্য অর্জন করেন।

২০ বছর বয়সে তিনি জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ শুরু করেন। ৩ বছর ধরে তিনি গোটা পারস্য চষে বেড়ান এবং বিভিন্ন স্কলারের অধীনে পড়ালেখা করে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানার্জন করেন। ৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি জুরজান (বর্তমানে ‘গুরগান’, উত্তর ইরানের একটি শহর) এ স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং স্থানীয় শাসক শামস আল-মা’আলি কাবুস এর অধীনে চাকুরী নেন। জীবনের পরবর্তী ১০ বছর তিনি উত্তর ইরানের এই ছোট্ট শহরেই বসবাস করেন, নিজের গবেষণা চালিয়ে যান, বই লিখেন, এবং জ্ঞানার্জনে রত থাকেন।

এ সময়েই তিনি তাঁর কিংবদন্তী গ্রন্থ রচনা করেন যেখানে তিনি প্রাচীন সভ্যতাসমূহের উত্থান এবং পতনের বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেন। এ রচনার মাধ্যমেই ভবিষ্যতে অনেক বিষয়ে তিনি যে পাণ্ডিত্য অর্জন করবেন তার পূর্বাভাস পাওয়া যায়। গ্রন্থটি শুধুই একটি ইতিহাস গ্রন্থ ছিলনা, বরং ইতিহাসের পাশাপাশি বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিদ্যা, এবং সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানের বিস্তারিত ব্যাখ্যার মাধ্যমে তিনি অতীতের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেন। জুরজান শহরে তাঁর করা কাজগুলোর মাধ্যমেই তিনি তৎকালীন বিশ্বের অগ্রগামী মস্তিষ্কের একজন হিসেবে বহিঃপ্রকাশ করেন।

জুরজান এ ১০ বছর থাকার পর আল-বিরুনী গজনীতে চলে যান এবং তাঁর কিছু কিংবদন্তী কাজ এই শহরেই করেন। বাস্তবে, গজনীতে না গেলে তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কিছু কাজ হয়তো করা সম্ভব হতোনা। এখানে তিনি গজনীর সুলতান মাহমুদ এর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন। আর গজনী ছিল তখনকার এক নামকরা সুবৃহৎ নগরী, যা বর্তমান আফগানিস্তানে অবস্থিত। সুলতান মাহমুদের সাম্রাজ্যের সীমানা আফগানিস্তান ছাড়িয়ে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, মূলত বর্তমান ইরান, পাকিস্তান এবং ইন্ডিয়াতেও। মূলত এই শক্তিশালী সাম্রাজ্যের কারণেই আল-বিরুনী তাঁর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ পান এবং তাঁর যোগ্যতা প্রমাণ করে দেখান।

সুলতান মাহমুদের সাথে থাকার কারণে যে নির্দিষ্ট যে সুবিধাটি তিনি পেয়েছিলেন তা হলো, হিন্দুস্তানে নিজের শাসনকার্য বজায় রাখার জন্য সুলতান মাহমুদ নিয়মিত সামরিক অভিযান চালাতেন এবং সকল অভিযানেই আল-বিরুনীকে সাথে করে নিয়ে যেতেন। এটি ছিল সুলতান মাহমুদ এর একটি অভ্যাস। যার ফলে আল-বিরুনীর সুযোগ হয় হিন্দুস্তানের বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি এবং ধর্মের সাথে পরিচয় লাভ করার এবং বিস্তারিত জানার।

তিনি প্রাচীন হিন্দুস্তানের ইতিহাসের উপর একটি বিশ্বকোষ সংকলন করেন যা “কিতাব তারিখ আল-হিন্দ” (হিন্দুস্তানের ইতিহাসের গ্রন্থ) হিসেবে পরিচিত। প্রকৃতপক্ষে, প্রাচীন হিন্দুস্তানের ইতিহাস নিয়ে আমরা আজ যা কিছু জানি তার বেশীরভাগই আল-বিরুনীর এই গ্রন্থ থেকেই সংগৃহীত। সত্যি বলতে তারিখ আল-হিন্দ বাস্তবে শুধুই প্রাচীন হিন্দুস্তান সংক্রান্ত গ্রন্থ নয়। বরং, ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর প্রেক্ষাপট বোধগম্য হওয়ার জন্য আল-বিরুনী জ্ঞানের অনেক শাখাকে একত্র করে ব্যাখ্যা করার যে যোগ্যতা রাখতেন, এই গ্রন্থটি ছিল তারই সাক্ষ্য। বইটি হচ্ছে হিন্দুস্তানী দর্শন, ভূগোল, এবং সংস্কৃতি জানার একটি উন্মুক্ত দরজা। একারণে তারিখ আল-হিন্দ কে বিশ্বের সর্বপ্রথম নৃবিদ্যা (Anthropology – মানব সমাজ এবং এর ক্রমবিকাশ সংক্রান্ত বিদ্যা) উপর লিখিত গ্রন্থ হিসেবে ধরে নেয়া যায়।


এটা পড়ুন – ভারতবর্ষে যুগশ্রেষ্ট কয়েকজন নির্যাতিত আকাবিরের ইতিহাস


হিন্দুস্তানের ইতিহাস এবং সংস্কৃতির এক বিশেষজ্ঞ হওয়ার পাশাপাশি আল-বিরুনী বৈজ্ঞানিক গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্যও সময় বের করতে পেরেছিলেন। যেহেতু তিনি অনেক ভ্রমণ করতেন, তাই বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য সরাসরি দেখার এবং নিজ হাতে পরখ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি অনেক নতুন তত্ত্ব প্রদান করেন এবং তত্ত্বগুলো কিভাবে একে অপরের সাথে সম্পর্কিত তা দেখিয়েছিলেন। তিনি গঙ্গা নদীর উৎস থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত নদীতে বিভিন্ন ধরনের মাটির উপাদান নিয়ে গবেষণা করেন। এর মাধ্যমে কিভাবে মাটির ক্ষয় হয়, কিভাবে নতুন করে চর জেগে উঠে ও আকৃতি পায় তা নিয়ে তত্ত্ব প্রদান করেন, এবং এসব ক্ষেত্রে পানি কি ভূমিকা পালন করে তার উপর বিশেষভাবে আলোকপাত করেন।

একই ধরনের আরেক গবেষণায় তিনি হিমালয় পর্বতমালায় প্রাচীন সামুদ্রিক প্রাণীর জীবাশ্ম আবিষ্কার করেন, যে পর্বতমালার মাধ্যমে হিন্দুস্তান গোটা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন। সমুদ্রের নিম্নস্তরের প্রাণী শামুক এবং এ জাতীয় অন্যান্য প্রাণী সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে হাজার হাজার মাইল ভ্রমণ করে হিমালয় পর্বতমালার পাশে চলে আসবে, ব্যাপারটি বিশ্বাসযোগ্য নয়। এর মাধ্যমে আল-বিরুনী এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে হিমালয় পর্বতমালা অবশ্যই পূর্বে কোন এক সময় সমুদ্রের নীচে ছিল, এবং ধীরে ধীরে লক্ষাধিক বছর পর বর্তমান অবস্থানে সরে এসেছে। পৃথিবীর গঠনের ব্যাপারে আধুনিক বিজ্ঞানের ধারণা অনুযায়ী পৃথিবীর উপরিতল কিছু পাতলা, অনমনীয় পাতের সমন্বয়ে তৈরি, যারা একে অপরের দিকে চলাচল করতে সক্ষম। এই পাতগুলো টেকটনিক পাত হিসেবে পরিচিত। আল-বিরুনীর গবেষণাটি আধুনিক বিজ্ঞানের এই ধারণাকেই নিশ্চিত করেছিল – কিভাবে সময়ের সাথে মহাদেশগুলোর স্থান পরিবর্তন হয়।

আল-বিরুনী ভূবিদ্যা (Geology)-র একজন পথিকৃৎ। তিনি শতাধিক বিভিন্ন ধরনের ধাতু এবং রত্নপাথর সংগ্রহ করে সেগুলো পরীক্ষা করেন। এগুলোর বৈশিষ্ট্য, এগুলো কিভাবে সৃষ্টি হয়, এবং কোথায় পাওয়া যায় তার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। রত্নপাথর নিয়ে লেখা তার বইগুলো স্ট্যান্ডার্ড বই হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে।

একাদশ শতাব্দীতে আল-বিরুনী তাঁর বর্ণময় কর্ম এবং গবেষণা জীবন চালিয়ে যান, এবং বিভিন্ন বিষয়ের গবেষণায় নতুন নতুন ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রদান করেনঃ

আল বিরুনি
চাঁদের দশার উপর তার কাজ ।


কিভাবে পৃথিবীর এর কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান।
কিভাবে কুয়া এবং ঝর্ণা থেকে পানি ভূ-পৃষ্ঠে প্রবাহিত হয়।
স্থিতিবিদ্যা (Statics) এবং গতিবিদ্যা (Dynamics) কে একীভূত করে বলবিদ্যা (Mechanics) নামক গবেষণার নতুন ক্ষেত্রের প্রবর্তন। (Mechanics এর উপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আধুনিক Mechanical Engineering, Civil Engineering, Structural Engineering, Aerospace Engineering, Automotive Engineering, Naval Architecture, Astronomy, Geophysical Science, Biophysics সহ গবেষণা ও কাজের হরেক রকমের ক্ষেত্র)।
সহস্রাধিক শহরের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়, এবং এর সাহায্যে তিনি প্রত্যেক শহর থেকে মক্কার দিক নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
‘ছায়া’-র অপটিক্যাল (আলোকবিদ্যা বিষয়ক) গবেষণা, এবং এর মাধ্যমে নামাজের সময় নির্ধারণ করেন।
মানুষের মাঝে জোতির্বিদ্যা (Astronomy)-র ‘কুসংস্কারাচ্ছন্ন’ ধ্যান-ধারণা দূর করে এর বৈজ্ঞানিক রূপ দেন।

ফলিত বিজ্ঞানী এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান । আল-বিরুনি যে কত বড় ফলিত বিজ্ঞানী এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানে তিনি যে কত উচ্চস্তরে স্থান লাভ করেছিলেন, এ সম্বন্ধে একটি ঘটনা উল্লেখই যথেষ্ট। একদিন সুলতান মাহমুদ গজনিতে তার হাজার বৃহ্মের বাগানে গ্রীষ্মবাসের ছাদে বসে আল বিরুনিকে বললন, এ বাড়ির চার দরজার কোন দরজাটি দিয়ে আমি বের হবো, আপনি তা গুনে ঠিক করে একটি কাগজ়ে লিখে আমার কম্বলের নিচে রেখে দিন।

আল-বিরুনি তার আস্তারলব যন্ত্রের সাহায্যে অঙ্ক কষে তার অভিমত একটি কাগজ়ে লিখে সুলতান মাহমুদের কম্বলের নিচে রেখে দিলেন। তখন সুলতান রাজমিস্ত্রির সাহায্যে একটি নতুন দরজা সৃষ্টি করে বেরিয়ে গিয়ে আবার ফিরে এসে দেখেন আল-বিরুনির কাগজে অনুরূপ কথাই লেখাঃ “আপনি পূর্ব দিকের দেয়াল কেটে একটি নতুন দরজা করে বেরিয়ে যাবেন”। কাগজের লেখা পাঠ করে সুলতান রেগে গিয়ে ছাদ থেকে আল-বিরুনিকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়ার জন্য আদেশ দিলেন। নিচে মশামাছি প্রতিরোধের জন্য জাল পাতা ছিল। সুলতানের আদেশ কার্যকর হওয়ার পর আল-বিরুনি সেই জালে আটকে গিয়ে মাটিতে আস্তে পড়ার ফলে বেশি আঘাত পেলেন না।

সুলতান আল-বিরুনিকে আবার ডেকে আনলেন এবং তার চাকরের কাছ থেকে আল বিরুনির দৈনিক ভাগ্য গণনার ডায়েরিটা নিয়ে সুলতান দেখলেন, তাতে লিখা আছে “আমি আজ উঁচু জায়গা থেকে নিচে পড়ে গেলেও বিশেষ আঘাত পাব না”। এ দেখে সুলতান আরো রেগে গিয়ে আল-বিরুনিকে জেলে পাঠালেন। এর পর আল-বিরুনিকে কারগার থেকে মুক্তির সুপারিশ করতে কেউ সাহস পেলেন না। ছয় মাস পর সুলতানের মনমর্জি বুঝে প্রধানমন্ত্রী আহমদ হাসান একদিন আল-বিরুনির প্রতি সুলতানের নেক নজর আকর্ষণ করলেন। সুলতান মাহমুদের এ কথা স্বরণই ছিল না। তিনি তৎহ্মণাৎ তাকে মুক্তি দিলেন।

৭৫ বছরের বর্ণময় জীবনে আল-বিরুনী প্রচলিত অসংখ্য বিষয়ে আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন। ১০৪৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি একশ’রও বেশী বই লিখেন যার বেশীরভাগই পরবর্তীতে হারিয়ে গিয়েছে। তাঁর ধীশক্তি, বিভিন্ন বিষয়ে পাণ্ডিত্য এবং জ্ঞানের বিভিন্ন শাখাকে একসূত্রে গেঁথে দেয়ার দক্ষতা তাঁকে স্থান করে দিয়েছে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মুসলিম স্কলারদের তালিকায়। তাঁর জীবন প্রমাণ করে জ্ঞানের জগতের প্রচলিত সীমানাকে নবদূরত্বে নিয়ে গিয়ে নতুন নতুন সব শাখা সৃষ্টি করায় অতীতের মুসলিম স্কলারদের যোগ্যতা কতটুকু ছিল। তাঁর অর্জনগুলো দেখিয়ে দেয় কিভাবে সেরা স্কলারগণ রাজনৈতিক সমস্যা, যুদ্ধ-বিগ্রহ, এবং জীবনের অন্যান্য সাধারণ সব সমস্যার উর্ধ্বে থেকেও ধরণীকে পরিবর্তন করে দেয়ার মতো গবেষণা করতে পারেন এবং অসাধারণ সব আবিষ্কার করে যান মানব সভ্যতার কল্যাণ সাধনের জন্য।

আরও জানুন – আবু রায়হান আল বিরুনি

Facebook Comments