ইসলামিক প্যারেন্টিংঃ শিশু সন্তানকে শিরক ও কুসংস্কার থেকে মুক্ত রাখা

37

“হে আমার প্রতিপালক!আমাকে আপনার নিকট হতে পবিত্র সন্তান প্রদান করুন;নিশ্চয়ই আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী। ” (সূরা আলে ইমরানঃ৩ঃ৩৮)
প্রচলিত কুসংস্কারসমূহঃ
বাচ্চার ক্ষেত্রেঃ
১.সন্তান জন্ম হলে তার কপালে কালো টিপ দেয়া,
২.পায়ে বা গলার নিচে কালো টিপ দেয়া,
৩.হাতে, পায়ে রেশম লাগানো,
৪.বাচ্চাকে স্পর্শ করার আগে আগুন স্পর্শ করা।
এগুলো কুসংস্কার, গুনাহর কাজ।
মায়ের ক্ষেত্রেঃ
১.গর্ভবতী মাকে নিজ ঘর থেকে আলাদা করে দেয়া।
২.নিম্নমানের ১ টি আলাদা ঘরে রাখা,
৩.বাড়ির মানুষজন থেকে দূরে রাখা,
৪.তার ঘরে গেলে ক্ষতি হতে পারে এমন মনে করা,
৫.মা’য়ের খাবার আলাদা করা ইত্যাদি।
এগুলো ইসলাম বিরোধী কাজ
প্রচলিত শিরকসমূহঃ
১.অনেকে বলেন, শিশুরা হল ফিরিশতা,এটা ঠিক নই, কারন শিশুরা হচ্ছে মানুষ, তবে হ্যাঁ এরা নিস্পাপ, কিন্তু তারা ফিরিশতার মতন নিস্পাপ এই কথাও বলা ঠিক না, কারন এ ‘দুটি আল্লাহর আলাদা সৃষ্টি, আর মনে রাখা দরকার, ফিরিশতা নূরের সৃষ্টি, আর শিশুরা মাটির সৃষ্টি, তাই কারো সাথে কারো তুলনা ঠিক না,
২.শিশুর শরীরে কালো সুতা বা কড়ি ঝুলানো ইত্যাদি।
তাবিজ ব্যবহারঃ
এটা নিয়ে বিভিন্ন প্রকার মতভেদ আছে
তবে আমার মতে,
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ডাক্তার আর হুজুর হলেন বাচ্চার মা, এক্ষেত্রে যদি বাচ্চার মা বাচ্চার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন তাহলে তা হল সর্বোত্তম, এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত আমলসমূহ করা যায়ঃ
১.বাব-মা দুজনের নিয়মিত নাময পড়ে বাচ্চার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা।
২.নিয়মিত দরুদ শরীফ, সুরা ফাতিহা,চার কুল, আয়াতুল কুরসী পড়ে বাচ্চাকে ফু দেয়া,
৩.নিয়মিত আল্লাহর দরবারে তওবা করা,
পৃথিবীতে আল্লাহর কাছে কিছু কবুল হোক বা না হোক মা-বাবার দোয়া ১০০০% গ্যারান্টি কবুল হবে, তাই বাচ্চার জন্য বেশি বেশি দোয়া করুন,
আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার তৌফিক দিন এবং শিরক মুক্ত সমাজ বিনির্মানে কবুল করুক, আমিন।
To Be Continued…. 😍😍😍
ডা.মোহাম্মদ রিদওয়ান 😍😍😍
Facebook Comments