ইসলামিক প্যারেন্টিংঃ সন্তান জন্মের পূর্বে মায়ের সতর্কতা

37
 

” ধন-ঐশ্বর্য ও সন্তান-সন্ততি পার্থিব জীবনের শোভা এবং সৎকাজ -যার ফল স্থায়ী”– সূরা কাহাফঃ৪৬

বর্তমান সময়ে দুঃখজনক হলেও সত্য যে,গর্ভবতী মায়েরা নয় মাস দশ দিন (৪০ সপ্তাহ) সময় কাটায় অনৈসলামী কর্মকাণ্ড করে।যেমনঃ
অবসর সময়ে অদিকাংশ মায়েরাই রিমোট হাতে নিয়ে টিভির সামনে বসে সময় কাটায়ঃ
১.অশ্লীল নাচ,
২.গান,
৩.সিরিয়াল,
৪.হিন্দি সিনেমা
৫.You Tube
৬.Facebook ইত্যাদির মাধ্যমে।
একটু চিন্তা করেন, পেটে যে সন্তান আছে সে কিন্তু সবই শুনতে পায় এবং মায়ের কাজকর্ম বুঝতে পারে।
এসব কাজ কি আল্লাহর পছন্দ? ভেবে দেখবেন।
গর্ভাবস্থায় মা’য়ের করনীয় বা যে আমল সমূহ করা যায়ঃ
১.ঠিক মতে ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায়,
২.ভাল বই পড়া (ইসলামিক),
৩.নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করা,
৪.কুরআন তরজমা শুনা,
৫.হাদীস পড়া,
৬.কুরআনের তাফসীর পড়া,
৭.ইসলামিক লেকচার শুনা,
৮.নিয়মিত ইস্তেগফার, তওবা করা ইত্যাদি।
দেখেন তাহলে সেই পেটের সন্তানের উপর কেমন শুভ প্রভাব পড়বে?
আর মা যদি উল্টোটা করেন, যা আল্লাহ হারাম করেছেন তাহলে পেটের সন্তানের উপর কি প্রভাব পড়বে?একবার চিন্তা করেন আল্লাহর দেয়া নিয়ামত পেটে নিয়ে আল্লাহর অপছন্দ সব কাজ করছি!
তাই আমাদের সবসময় সন্তানের বিষয়ে আল্লাহ তা’আলার নিকট সাহায্য চাওয়া উচিত, তাঁর পছন্দ মতো কাজকর্ম করা উচিত।
আল্লাহ আমাদের সকলকে বুঝাট তৌফিক দিন, আমিন…..
To Continued😍😍
ডা.মোহাম্মদ রিদওয়ান
Facebook Comments