করোনা ভাইরাস : আমাদের আমল ও কর্তব্য

30
করোনা ভাইরাস

করোনা ভাইরাস, আমাদের আমল ও কর্তব্য

**********************************
★ এটা কি আল্লাহর আযাব?
★ আল্লাহর আযাব নাযি‌লের বি‌ধি ও কারণগুলো কী?
★ ইসলামের দৃষ্ট‌িতে এমন দুর্যোগে আমাদের করণীয় কী?

**********************************
★ করোনা ভাইরাসঃ “করোনা” মূলত একটি ভাইরাস, এটি যার ভেতরে সংক্রমিত হয় তার শরীরে জ্বর, সর্দি, কাশিসহ বিভিন্ন ধরণের উপসর্গ পরিলক্ষিত হয়। এটি আকারে খুবই ক্ষুদ্র। এর একটি কোষ এত ছোট যে একটা গম যদি এক লক্ষ ভাগ করা যায় তার এক ভাগের সমান। যার ভয়ে সারা পৃথিবী আতঙ্কিত!
প্রথমে চীনে এই রোগ শুরু হলেও এখন বিশ্বব্যাপী তা মহামারীতে রূপ নিয়েছে।

প্রশ্ন হলো, এটি শুধুই রোগ, নাকি আল্লাহর গযব? আসুন কুরআন সুন্নাহর আলোকে মি‌লিয়ে দেখি…

 

আযাব-গযব অনেকটা পাপের কারণ হয়ে থাকে।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
وَمَا أَصَابَكُم مِّن مُّصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَن كَثِيرٍ
অর্থাৎ, “তোমাদেরকে যত বিপদাপদ স্পর্শ করে তা তোমাদের পাপের ফলস্বরূপ, আর তোমাদের বেশিরভাগ গুনাহ তিনি ক্ষমাই করে থাকেন।”
(সূরা শূরা: ৩২)

আমরা দেখলাম,
ক) আল্লাহ তাআলা মানুষের পাপের ফলাফল প্রদান করেন যা আযাব-গযব হিসেবে মানুষের নিকট এসে থাকে।
খ) মানুষের তাওবার দ্বারা ক্ষমা করা হয় যার ফলশ্রুতিতে কোন আযাব আল্লাহ দেন না।

অতীতে মানব জাতির উপর পতিত আযাব-গযবের নমুনা:

অতীতে অনেক উল্লেখযোগ্য জাতি চোখের পলকে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে- এমন ৬টি জাতির ইতিহাস কুরআনুল কারীমে বর্ণিত হয়েছে-

১) কওমে নূহ, ২) কওমে ‘আদ,
৩) কওমে সামূদ, ৪) কওমে লূত,
৫) কওমে মাদইয়ান, ৬) কওমে ফিরআউন

এদের ধ্বংসের কারণ ও বিবরণ নিন্মরূপঃ

  • ১) কওমে নূহঃ এদের পাপ ছিল শিরক। ওয়াদ্দ, সুআ, ইয়াগুছ, ইয়াঊক, নাসর এই পাঁচজন নেককার ব্যক্তির নামে এরা ওসিলা করতো ও তাদেরকে পূজা করতো। (সূরা নূহ: ২৩)
    এ জন্য মহাপ্লাবনে তাদেরকে ধ্বংস করা হয়।
  • ২) কওমে আদঃ এরা খুবই শক্তিশালী ও মেধাবী জাতি ছিল। সুউচ্চ প্রাসাদ, টাওয়ার নির্মাণ করতো। গরীব ও দুর্বলদের উপর যুলুম করতো আর শিরক ছিল তাদের অভ্যাস।
    এ সকল কারণে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে যে শাস্তি দেন- ১) অনাবৃষ্টি, ২) কালো মেঘ ও বজ্র নিনাদ, ৩) ভুমিকম্প। একবারে তাদের ধ্বংস করে দেন। (সূরা ক্বামার: ২০)
  • ৩) কওমে সামূদঃ এদের বৈশিষ্ট্য-
    ক) বৈষয়িক উন্নতির শিখড়ে পৌঁছেছিল,
    খ) নির্মাণ শৈলিতে অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছিল,
    গ) সামরিকভাবেও তারা শক্তি অর্জন করেছিল।

তাদের পাপের ধরণ ছিল, ১) শিরক ২) কুফর ৩) নবীকে অস্বীকার ও আল্লাহ তাআলার নিদর্শন হিসেবে প্রেরিত একটি উস্ট্রিকে হত্যা ও নবী পরিবারকে হত্যার ষড়যন্ত্র। (সূরা নামল: ৪৮,৪৯)

গযবঃ ১) বিশাল বজ্র নিনাদ ২) ভূমি ধ্বসের মাধ্যমে এমন শাস্তি প্রয়োগ করা হয় যে পরবর্তীতে মনে হয় সে এলাকায় কোন জনপদ ছিল তা বিশ্বাস হয় না। (সূরা ক্বামার: ৩১, সূরা আ’রাফ: ৭৮)

  • ৪) কওমে লূতঃ এদের বৈশিষ্ট্য ছিল, তারা দুনিয়াবী সকল বিত্ত-বৈভব অর্জন করেছিল। জর্ডান ও ফিলিস্তিনের মধ্যবর্তী সাদূম নগরীসহ মোট পাঁচটি সমৃদ্ধ নগর এরা গড়ে তুলেছিল, যাকে কুরআনুল কারীমে ‘মু’তাফিকাত’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। (সূরা তাওবা: ৭০, সূরা হাক্কাহ: ০৯)

তাদের পাপঃ ক) কুফুরি খ) শিরক গ) অবাধ্যতা ঘ) সমকামিতা
পরিণামঃ ১) প্রচন্ড ঝড়, ২) বজ্র নিনাদ, ৩) জমিনকে উপরে তুলে উপর করে আছাড় দিয়ে ফেলে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করা।

  • ৫) আহলে মাদইয়ানঃ লূত সাগরের সন্নিকটে সিরিয়া ও হিজাযের নিকটবর্তী জনপদকে “আহলে মাদইয়ান” বলা হয়।

বৈশিষ্ট্যঃ হযরাতে শুআইব আঃ এই কওমের নবী ছিলেন। তারা তার অবাধ্য হয়েছিল,
অপরাধঃ ক) রাহাজানি, খ) লুটপাট, গ) শিরক, ঘ) কুফর, ঙ) ওজনে কম দেয়া।

শাস্তিঃ ১) অত্যধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি করা হয়,
২) বজ্রসহ বৃষ্টি, ৩) ভুমিকম্প, ৪) আকাশ থেকে অগ্নি বর্ষণ। (সূরা হূদ: ৯৪-৯৫)

  • ৬) কওমে ফিরআউনঃ আল্লাহর নবী ইউসুফ (আলাইহিস সালাম) এর অনেক পর এরা ক্ষমতায় আসে। বনী-ইসরাইলকে এরা গোলামে পরিণত করে। আল্লাহর নবী মুসা ও হারূন (আলাইহিমাস সালাম) তাদের সমসাময়িক নবী।

অপরাধঃ ১) নবীর দাওয়াতকে প্রত্যাখ্যান করা, ২) যুলুম, ৩) কুফর, ৪) শিরক

শাস্তিঃ ১) দুর্ভিক্ষ, ২) প্লাবন, ৩) পঙ্গপাল, ৪) উকুন, ৫) ব্যাঙ, ৬) রক্ত, ৭) মহামারি প্লেগ, ৮) সাগরে ডুবিয়ে ধ্বংস।

**********************************
★ গযব নাযিলের প্রধাণ কারণসমূহঃ

১. শিরকঃ
উপরে ধ্বংসপ্রাপ্ত ৬টি জাতির কমন একটি বৈশিষ্ট্য ছিল- শিরক; যাতে বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ মানুষই জড়িত, এমনকি যারা নিজেদের মুসলিম মনে করে তাদেরও বেশিরভাগ সদস্য শিরকে লিপ্ত। আল্লাহ আমাদের মাফ করুন!

২. বিদআতঃ
ইহুদী-নাসারাগণ ধর্মে সংযোজন বা বিদআত সৃষ্টি করে আল্লাহর অভিশপ্ত জাতিতে পরিণত হয়েছিল। আল্লাহর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শুকর-বানরে পরিণত হয়েছিল। এ সমাজেও এমন তথাকথিত ‘আলেম’(!) বিদআতকে ইবাদাতের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করলে তারা গালাগালি ও ওহাবি বলে কটাক্ষ করে।

৩. ফাসেক/মুনাফিক রাষ্ট্রনেতাঃ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন যখন অযোগ্য লোকের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করা হবে, তোমরা তখন কিয়ামতের অপেক্ষা করো। (বুখারি)
এদের চরিত্র ফিরআউনের মতো হলেও মুখে এরা বলে, ‘আমরা কেবল তোমাদেরকে কল্যাণের পথ দেখাই।’ (সূরা মুমিনূন: ২৯)

৪. বিলাসী ধনিক শ্রেণীঃ
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যখন আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করার ইচ্ছা করি, তখন সেখানকার বিলাসী ধনিক শ্রেণীকে প্ররোচিত করি। ফলে তারা পাপাচারে মেতে ওঠে। তখন সে জনপদের উপর আমাদের আদেশ অবধারিত হয়ে যায়। অতঃপর আমরা উক্ত জনপদকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেই।’
(সূরা বনী ইসরাঈল: ১৭-১৬)
অর্থাৎ, ধনিক শ্রেণীর অধঃপতন সমাজের অধঃপতন ডেকে আনে।

৫. সুদ ও পুঁজিবাদী অর্থ ব্যবস্থাঃ
আল্লাহ তাআলা সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারী বাক্য উচ্চারণ করেছেন। সুদভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার ঘোষণা দিয়ে আল্লাহ তাআলা ইরাশাদ করেন- “আল্লাহ সুদকে ধ্বংস করে দেবেন এবং দানকে প্রবৃদ্ধি দিবেন।”
সুদে গড়ে ওঠা বিশ্বকে আল্লাহ করোনা ভাইরাস দিয়ে ধ্বংস করতেই পারেন।

৬. এছাড়াও অন্যায় বিচারব্যবস্থা, সৎ কাজের আদেশ দেয়া বন্ধ হওয়া, অসৎ-অন্যায় কাজে বাধা প্রদান না করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করাসহ যাবতীয় বদস্বভাব ও পাপাচারিতা গযব নাযিল হওয়ার কারণ।

আমরা অতীতের ইতিহাস দেখলাম যে তাদের পাপ কাজের সাজা কী ধরণের ছিল। আমাদের নবী আমাদের জন্য দুআ করে গিয়েছেন যেন আমাদেরকে স্বমূলে ধ্বংস করা না হয়, এ জন্যই হয়তো আমরা এখনো বেঁচে আছি।
দুনিয়া জুড়ে মুসলমানদের অধঃপতন এবং তাদেরকে ধ্বংস করার জন্য কাফিরদের প্রস্তুতি, এর পরেও আল্লাহর করুণা। কিন্তু এখন যেভাবে করোনা ভাইরাস মানুষকে তাড়িয়ে নিচ্ছে, পৃথিবী যেভাবে আতংকিত সেখানে আমাদের কিছু করণীয় আছে।

**********************************
★ আসুন জেনে নেই আমাদের দায়ীত্ব-কর্তব্য ও করণীয়ঃ

১. সবর করা– আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে পরীক্ষা করবেন আগেই বলে দিয়েছেন।
(সূরা বাকারা: ১৫৫)

২. বিপদ-আপদ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা– ‘হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ! তোমরা উপদেশ গ্রহণ করো।’ (সূরা হাশর: ২)

৩. নিজ নিজ পাপকর্ম থেকে তওবা করা– ‘হে বিশ্বাসীগণ তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা করো, তোমরা অবশ্যই সফলকাম হবে।’
(সুরা নূর: ৩১)

৪. যেকোন বিপদগ্রস্থ মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাহায্যে হাত বাড়িয়ে দেন আল্লাহ তাআলা তাকে সাহায্য করতে থাকেন” (মিশকাত: ৪৯৫৮)

৫. ইস্তেগফার করা। বেশি বেশি আস্তাগফিরুল্লাহ বলা।

৬. দরুদ শরীফ পড়া
৭. নামাযের পর আয়াতুল কুরসি পড়া
৮. সুরা ইখলাস, সুরা নাস,ফালাক পড়া।
৯. বেশি বেশি দুআর গুরুত্ব দেয়া

১০.
اللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ، وَالْجُنُونِ، وَالْجُذَامِ، وَمِنْ سَيِّئِ الأَسْقَامِ
“আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’উযু বিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনূনি ওয়াল জুযামি ওয়া মিন সায়্যিইল আসক্বাম।” বেশি বেশি এই দুআ পড়া।

১১.
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
এই দুআ ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর তিনবার করে পড়তে হবে। রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “এই দোয়া পড়লে ঐ দিনটাতে আল্লাহ তাকে মাখলুকের অনিষ্ঠ থেকে হিফাযত করবেন।” (আবূ দাঊদ: ৫০৮৮)

**********************************
★ এ ছাড়াও আমাদেরও বৈষয়িক প্রস্তুতির জন্য বিশেষজ্ঞগণ যা পরামর্শ দিয়েছেন সেগুলো মেনে চলা উচিত। আপনাদের জ্ঞাতার্থে নিম্নে তার কিছুটা উল্লেখ করা হলোঃ

  • ১. বেশি বেশি হাত ধৌত করুন,
  • ২. ঘন ঘন পানি পান করুন,
  • ৩. এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যেমন লেবু, গাজর টমেটো ইত্যাদি খাবার খান।
  • ৪. কোক,ফাস্টফুড,তেলে ভাজা খাবার পরিহার করুন,
  • ৫. পরিচ্ছন্ন থাকুন,
  • ৬. গণহারে যেখানে মানুষ স্পর্শ করে সেখানে হাত দেয়া থেকে বিরত থাকুন,
  • ৭. খোলা খাবার পরিহার করুন,
  • ৮. বাইরে গণচায়ের কাপ পরিহার করুন,
  • ৯. গুজবে কান দেবেন না,
  • ১০. বাইরে গেলে হাতে গ্লাভস ব্যবহার করুন,
  • ১০. বোরকা, হিজাবসহ পর্দার সবটুকু মেনে চলুন, ১১. নিত্য ব্যবহার্য্য বস্তু পারসোনাল ব্যবহার করুন।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সতর্ক হওয়ার তাউফিক দান করুন।
অপমৃত্যু থেকে হেফাযত করুন।

**********************************
© জনস্বার্থেঃ মুফতি মনোয়ার হোসেন
(পরিচালক, মাদরাসাতুল মদীনা, বগুড়া।
খতিব, উপশহর হাউজিং এস্টেট জামে মসজিদ, বগুড়া।)

(তিনদিন খাইটা খুইটা লিখলাম, জুমুআর খুৎবা দি‌তে পার‌বেন, প্রিন্ট যোগ্য হ‌লে প্রিন্ট দি‌তে পা‌রেন,ফায়দা হলে দুআ কই‌রেন ভাইসাবেরা!)

বর্তমান বিশ্বের সর্বচ্চো আলেমদের অন্যতম, শাইখুল ইসলাম আল্লামা তাক্বী উসমানী দা.বা. করোনা ভাইরাসের মত মহামারী রোগ থেকে বাঁচার জন্য ৪টি আমল স্বহস্তে লিখে দিয়েছেন। ৪টি আমল হল,

১, নিম্নের দু’টি দোআ বেশি বেশি পাঠ করুন।

١ . لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ.
٢ . اللهم ارفع عنا البلاء والوباء.

২, ঘর থেকে বের হওয়া ও পানাহারের সময় নিম্নের দোআটি বেশি করে পাঠ করুন।
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

৩, বাচ্চাদের গলার মধ্যে এ দোআটি কাগজে লিখে তাবীজ হিসেবে ঝুলিয়ে দিন।

اعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق فالله خير حافظا وهو ارحم
الراحمين.

৪, প্রত্যেক নামাযের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করে নিজেকে ও পরিবারের সকলকে ফুঁক দিন ।

সুস্থতার মালিক তো আল্লাহ তাআ’লা, দো’আ-দুরূদ ওসীলাহ মাত্র। আমাদের কাজ হল সাধ্যানুযায়ী দো’আ ও চেষ্টা করে যাওয়া। আল্লাহ তাআ’লা সবাইকে সকল প্রকার রোগব্যাধি ও মহামারী রোগ থেকে হেফাজত করুন । আমীন ।

جزاكم الله خيرا

করোনায় করনীয়

কোয়ারেন্টাইন পরিচিতি

করোনা সম্পর্কে ভুল ধারনা – 

ইমেজ – প্রথম আলো

 

Covic90 Gallery

 

Facebook Comments