১৩শ শতাব্দীর সূচনা মুসলিমদের জন্য শুভই মনে হচ্ছিল। ১২শ শতাব্দীর শেষদিকে ক্রুসেডারদের পরাজিত করে ১১৮৭ খ্রিস্টাব্দে জেরুজালেম স্বাধীন করা, শতাব্দীর মাঝামাঝিতে মুসলিম বিশ্বকে বারবার বিভিন্নভাবে উত্যক্ত ও হয়রানী করা শিয়া ইসমাইলি ফাতিমিদদেরকে নিঃশেষ করে দেয়া এবং পারস্যে শক্তিশালী খাওয়ারাজমীয় সাম্রাজ্যের উত্থান। সে যাহোক, এসবকিছুই ওলটপালট হয়ে যায় যখন নির্দয়-নিষ্ঠুর-পাষাণ মঙ্গোল রা দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় আগমন করে। যাত্রাপথে তারা যে ধ্বংসযজ্ঞ ও লুণ্ঠন চালিয়ে যায় সে ভয়াল দৃষ্টান্ত ইতিহাসে আর কোথাও পাওয়া যায়না।

মঙ্গোল কারা ছিল?

মঙ্গোলরা ছিল মধ্য এবং উত্তর এশিয়ার এক যাযাবর গোষ্ঠী। তারা এই অঞ্চলের ধূ ধূ বৃক্ষহীন প্রান্তরে বসবাস করতো। প্রতিনিয়ত স্থান পরিবর্তন আর যাযাবরবৃত্তিই ছিল তাদের জীবনধারণের একমাত্র শৈলী। সকল কাজেই তারা সবসময় ঘোড়ার উপর নির্ভরশীল ছিল, ঘোড়াই ছিল তাদের যোগাযোগের মূল মাধ্যম। তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস ছিল বস্তুকেন্দ্রিক বহু ঈশ্বরবাদ। সুবৃহৎ ও সুপ্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্য এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা তারা কখনোই গড়তে পারেনি, বরং উত্তর চীনের বিভিন্ন গোত্রের মাঝে নামেমাত্র সন্ধিচুক্তি ও জোট স্থাপনের মাধ্যমেই জীবন ধারণ করে গিয়েছে।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, মঙ্গোলরা সবসময়ই তাদের প্রতিবেশীদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত থাকতো। তাদের দক্ষিণে বসবাসরত চীনারা মূলত মঙ্গোল ও অন্যান্য আক্রমণকারীদের থেকে নিজেদের গ্রামবাসীদের রক্ষার্থেই চৈনিক সম্রাট শি হুয়াং (২৪৭-২২১ খ্রিস্টপূর্ব) এর আমলে ‘দ্যা গ্রেট ওয়াল’ নির্মাণ করে। শুধু তাই নয়, মঙ্গোলরা মধ্য এশিয়ার অন্যান্য গোত্র যেমন তুর্কি এবং তাতারদের সাথে নিয়মিত দ্বন্দ্ব-সংঘর্ষে লিপ্ত ছিল।

চেংগিস খান

মঙ্গোল ইতিহাস (এবং সাথে বিশ্বের ইতিহাসও) চিরদিনের জন্য বদলে যায় চেঙ্গিস খানের শাসনামলে। চেঙ্গিস খান ছিল ১২০৬ থেকে ১২২৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মঙ্গোলদের একজন গোত্রীয় প্রধান। তার শাসনকালে সে বহু মঙ্গোল গোত্রকে অন্যান্য তুর্কি গোত্রের সাথে ঐক্যবদ্ধ করতে সমর্থ হয়। এর মাধ্যমে সে এক সুবৃহৎ ও ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তোলে এবং শুরু করে এমন এক জয়যাত্রা যা জয় করে নিয়েছিল ততদূর পর্যন্ত ভূখণ্ড যতদূর পথ মঙ্গোল ঘোড়সওয়াররা পাড়ি দিতে পারে।

চেঙ্গিস খান ১২১০-এর দশকে উত্তর চীনের বেশীরভাগ অংশ দখল করে নেয়। এর মাধ্যমে সে জিয়া এবং জিন সাম্রাজ্য ধ্বংস করে, সাথে বেইজিংও দখল করে নেয়। মধ্য এশিয়ার বেশীরভাগ তুর্কি গোত্রগুলোও সে দখল করতে সমর্থ হয় এবং এভাবেই পারস্য পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এর মাধ্যমে সে পূর্ব ইউরোপেও সৈন্যবাহিনী পাঠায়। রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল এবং এমনকি মধ্য ইউরোপের জার্মান প্রদেশগুলোতেও আক্রমণ চালায়।

১২২০-এর দশকের মধ্যে চেঙ্গিস খানের সেনাবাহিনী লুটপাট করে ফেলে এশিয়া এবং ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল

চেঙ্গিস খান কি কি জয় করেছিল তার চেয়েও বেশী গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কিভাবে সে জয় করেছিল। ইচ্ছাকৃতভাবে ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টিকেই সে তার মূল হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতো। মঙ্গোলরা কোন শহর অবরোধ করার পর শহরবাসী কোন লড়াই না করে আত্মসমর্পণ করলে তাদের ছেড়ে দেয়া হতো, তবে তারা চলে যেত মঙ্গোল শাসনাধীনে। কিন্তু শহরবাসী আত্মসমর্পণ না করে মঙ্গোলদের সাথে লড়াই শুরু করলে বেসামরিক লোকজনসহ সকলকেই মঙ্গোলরা হত্যা করতো। চেঙ্গিস খানের এতো সফল বিজেতা হওয়ার পেছনে এ ধরনের ভয়ানক আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারার যোগ্যতার ভূমিকা ছিল অনেক অনেক বেশী। মানুষ তার হাতে গণহত্যার শিকার হবার চেয়ে আত্মসমর্পণ করাকেই শ্রেয় মনে করতো। তার গণহত্যার একটা উদাহরণ, হেরাত (বর্তমান আফগানিস্তানের একটি শহর) অবরোধ করার পর মঙ্গোলরা প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষ হত্যা করে।

মুসলিম বিশ্বে আক্রমণ

মুসলিমদের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কিছু লুণ্ঠন এবং গণহত্যা চালালেও চেঙ্গিস খান মুসলিম অঞ্চলের খুব ভেতরে আক্রমণ করেনি। তার উত্তরাধিকারী ওগেদেই খানের সময়ও মুসলিমরা বারবার মঙ্গোলদের রোষানলে পড়া থেকে বেঁচে যায়। তবে ১২৫৫ খ্রিস্টাব্দে এই শান্তির অবসান ঘটে। বিখ্যাত মংকে খান, তার ভাই হুলাকু খানের উপর এক সেনাবাহিনীর দায়িত্ব অর্পণ করে যাদের লক্ষ্য ছিল পারস্য, সিরিয়া ও মিশর দখল করা এবং সাথে আব্বাসী খিলাফতও ধ্বংস করা। জানা যায়, ইসলামকে ধ্বংস করে চিরতরে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলাই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। এমনকি হুলাকু খানের নিজেরও ইসলাম সংক্রান্ত সকল ব্যাপারে তীব্র ঘৃণা এবং বিদ্বেষ ছিল, যার বেশিরভাগই উৎসরিত হয়েছিল মূলত তার বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান উপদেষ্টাদের মাধ্যমে যারা হুলাকু খানের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক পদক্ষেপে বড় ভূমিকা পালন করতো।

মঙ্গোল আক্রমণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মতো কোন অবস্থাই তখন মুসলিম বিশ্বের ছিলনা। আব্বাসী খিলাফতের উপস্থিতি ছিল নামে মাত্র, যাও কিনা তাদের পূর্বাপর খ্যাতিকে পুঁজি করে। বাগদাদের বাইরে তাদের কোন প্রভাবই ছিলনা। খাওয়ারাজমীয় সাম্রাজ্যের অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে যাওয়ায় পারস্যজুড়ে অনৈক্য প্রকট আকার ধারণ করে। সালাহ আল-দ্বীন প্রতিষ্ঠিত আইয়ুবী সাম্রাজ্যের হাতে ইরাক ও সিরিয়ার কিছু ক্ষুদ্র অংশের নিয়ন্ত্রণ ছিল মাত্র। অন্যদিকে মিশরে সাম্প্রতিক বিদ্রোহ সালাহ্‌ আল-দ্বীন আল-আইয়ুবীর বংশধরদের পতন ঘটায় এবং নতুন মামলুক সুলতানাতকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে। বাস্তবে নিজের সুবিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে হুলাকু খানকে খুব বেশী প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হয়নি।

বাগদাদ ধ্বংসযজ্ঞ

৭৬২ খ্রিস্টাব্দে আব্বাসী খলিফা আল-মানসুরের পৃষ্ঠপোষকতায় বাগদাদ নগরী প্রতিষ্ঠা হয়। এই নগরীর ইতিহাসজুড়েই এটি ছিল মুসলিম বিশ্বের রাজধানী এবং সাথে গোটা বিশ্বেরও রাজধানী। বাগদাদের লাইব্রেরীগুলো ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। বাইতুল হিক্‌মাহ (بيت الحكمة – The House of Wisdom) ছিল বিশ্বের সবচেয়ে তুখোড় ও প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, চিন্তাবীদ, গণিতবীদ এবং ভাষাতত্ত্ববিদদের জন্য তীর্থস্থানের মতো। খলিফাগণ ছিলেন বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্য চর্চার পৃষ্ঠপোষক।

যদিও সময়ের সাথে ১৩শ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে এসে বাগদাদের সেই আকর্ষণ ও গুরুত্ব হারিয়ে যায়। খলিফারা ছিল নামে মাত্র নেতা এবং মানুষের জন্য কাজ করার মাধ্যমে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনের চেয়ে দুনিয়াবি ভোগ-বিলাসেই তারা মত্ত্ব ছিল। আব্বাসী সেনাবাহিনীর বলতে গেলে কোন অস্তিত্বই ছিলনা, তাদের গণ্ডি শুধুমাত্র খলিফার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করার মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। আর মুসলিমদের বৈজ্ঞানিক গবেষণার কেন্দ্রও সময়ের সাথে বাগদাদ থেকে স্থানান্তরিত হয়ে চলে যায় কায়রো, আল-আন্দালুস (মুসলিম স্পেন) এবং হিন্দুস্তানে

মঙ্গোল বাহিনীর বাগদাদ অবরোধ

এই সেই ঐতিহাসিক শহর যেখানে ১২৫৮ খ্রিস্টাব্দে মঙ্গোলরা এসে পৌঁছায়। তাদের সেনাবাহিনী ছিল আনুমানিক দেড় লক্ষ সৈন্যবিশিষ্ট। বাগদাদ, নগরীটি তখন আর ৯ম খ্রিস্টাব্দের মুসলিম বিশ্বের কেন্দ্রের ছায়া ব্যতিত আর কিছুই নয়। মঙ্গোল বাহিনী জানুয়ারী মাসের মাঝামাঝিতে অবরোধ শুরু করে যা প্রায় দুই সপ্তাহ স্থায়ী ছিল। অবশেষে ১২৫৮ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখে মঙ্গোলরা খলিফাদের এই শহরে প্রবেশ করে।

পুরো এক সপ্তাহকাল ধরে লুঠতরাজ ও ধ্বংসযজ্ঞ চলে। এসময় মঙ্গোলরা কোন ধরনের বাছ-বিচার করেনি। অবাধে মসজিদ, হাসপাতাল, লাইব্রেরীসহ বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যায়। বাগদাদের লাইব্রেরীসমূহের বইগুলো টাইগ্রিস নদীতে এতো বেশী পরিমাণে ছুঁড়ে ফেলা হয় যে নদীর পানি (বইয়ের কালির কারণে) কালো রং ধারণ করে। সত্যি বলতে বইগুলো নদীতে ছুঁড়ে ফেলায় কিংবা পুড়িয়ে ফেলায় কি পরিমাণ জ্ঞান যে সেদিন পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে হারিয়ে গিয়েছিল সেটা আমরা আর কখনোই জানতে পারবনা।

যাই হোক, বইয়ের চেয়েও বেশী গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রাণহানি। ধারণা করা হয় ধ্বংসযজ্ঞের সেই এক সপ্তাহে ২ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। বাগদাদ বসবাসের অযোগ্য এবং সম্পূর্ণ জনমানবহীন শহরে পরিণত হয়। পুনরায় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কোন শহরে পরিণত হতে বাগদাদের আরো কয়েক শতাব্দীকাল লেগে যায়।

পরাজয় এবং ভবিষ্যত ফলাফল

বাগদাদ জয়ের পর মঙ্গোলরা পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয় এবং আইয়ুবীদের থেকে সিরিয়া জয় করে। তাদের এই জয়ের পেছনে বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে আর্মেনীয়দের সরাসরি সাহায্য এবং ক্রুসেডারদের নিষ্ক্রিয়তা। ফিলিস্তিনে এসে মঙ্গোলরা তাদের জয়যাত্রার চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছায়। মিশরের নতুন মামলুক সুলতানাত ১২৬০ খ্রিস্টাব্দে আইন জালুত এর যুদ্ধে ‘বায়বার’ এর নেতৃত্বে মঙ্গোলদের পরাজিত করে। এর ফলে মঙ্গোল আগ্রাসন থেকে পবিত্র ভূমি মক্কা, মদিনা এবং জেরুজালেম সুরক্ষিত হয়। আর সেইসাথে নিশ্চিত হয় তৎকালীন বিশ্বের একমাত্র মুসলিম পরাশক্তি মামলুকদের নিরাপত্তা।

ইসলাম পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দিতে মঙ্গোলদের প্রচেষ্টা সফল না হলেও তারা মুসলিম বিশ্বের কেন্দ্রে এক গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামরিক ক্ষত সৃষ্টি করে যায়। জনশূন্য করে রেখে যায় গোটা অঞ্চলকে। তারা সেচখাল, শস্যক্ষেত্র এবং অর্থনৈতিক অবকাঠামোগুলো এমনভাবে ধ্বংস করে দেয় যে সবকিছুই মেরামতের অযোগ্য হয়ে পড়ে। খিলাফতের মতো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান যা মুসলিম উম্মাহ্‌কে বহু শতাব্দীকাল ধরে ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছিল তা সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার বেশীরভাগ মুসলিম অঞ্চলজুড়ে হুলাগু খানের সাম্রাজ্য

এরপর হুলাগু খানের বংশধরদের প্রতিষ্ঠিত মঙ্গোল ইলখানাত ১০০ বছরেরও বেশী সময় ধরে পারস্য, ইরাক এবং আনাতোলিয়া শাসন করে। যুগ ও শতাব্দীর পরিক্রমায় দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার মঙ্গোলরা ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং পারস্য-তুর্কি সংস্কৃতি ধারণ করতে থাকে। কিন্তু তারপরও ১৩শ শতকে মঙ্গোলরা মুসলিম বিশ্বে যে ধ্বংসাত্মক ও নেতিবাচক প্রভাব রেখে গিয়েছিল তা উপেক্ষা করার কোন সুযোগ নেই।

মঙ্গোল আগ্রাসন হচ্ছে ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে হতাশাচ্ছন্ন যুগ। মুসলিম বিশ্ব ১৩শ শতকের মতো ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড এবং ধ্বংসযজ্ঞ এরপর আর দেখেনি। এই ওয়েবসাইটের বেশীরভাগ আর্টিকেলে ইসলামের ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায় ও শ্রেষ্ঠ অর্জনসমূহ তুলে ধরা হলেও নেতিবাচক দিকগুলোর ব্যাপারে সচেতন থাকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসকল কারণে নেতিবাচক দিকগুলো সংঘটিত হয়েছিল সেগুলোর প্রতি বেশী জোর দেয়া উচিত। মুসলিম বিশ্ব মঙ্গোল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সম্পূর্ণরূপে অক্ষম ছিল অনৈক্য এবং দুর্বল রাজনৈতিক ও সামরিক অবকাঠামোর কারণে। ইসলামের ইতিহাসজুড়ে, অনৈক্য সবসময়ই বিরোধীদের আগ্রাসন ডেকে এনেছে এবং পরাজয়ের দিকে ধাবিত করেছে। আর ঐক্য ধাবিত করেছে গুরুত্বপূর্ণ সব ইসলামী সাম্রাজ্য স্থাপনার দিকে যা উপকার সাধন করেছে শুধু মুসলিম বিশ্বেরই নয়, বরং গোটা বিশ্বের।

অনুবাদ করা হয়েছেঃ The Mongol Invasion and the Destruction of Baghdad আর্টিকেল থেকে।
অনুবাদকঃ খালিদ ফায়াদ

Bibliography – গ্রন্থপঞ্জিঃ

Frazier, Ian. “Invaders: Destroying Baghdad.” New Yorker. 25 2005: n. page. Web. 17 Nov. 2012. <http://www.newyorker.com/archive/2005/04/25/050425fa_fact4&gt;.

Ochsenwald, William, and Sydney Fisher. The Middle East: A History. 6th. New York: McGraw-Hill, 2003. Print.

Saunders, JJ. A History of Medieval Islam. London: Routledge, 1965. Print.

Facebook Comments